স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের অনুমতি চায় দেশের বিপিও শিল্পখাত
৫০ শতাংশ বিপিও’র আয় কমতে পারে ৩০ শতাংশ : বাক্কো
গত ২৩ জুলাই থেকে ইন্টারনেট সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হলেও, বিচ্ছিন্ন এবং ধীরগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের বিপিও শিল্প। এতে এই শিল্পের প্রায় ৫৩ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয় কমতে পারে প্রায় ৩০ শতাংশ। আগামীতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে বিপিও শিল্পকে জরুরি সেবার আওতাভুক্ত সেবা হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবাহারের অনুমতিসহ ৬টি দাবি করেছে এই খাতের বাণিজ্যিক সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হয়েছে। এতে সংযুক্ত বাকি দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বিপিও/ কলসেন্টার শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি আলাদা ইন্টারনেট অবকাঠামো নির্মাণ বা পৃথক ডেটা সেন্টার স্থাপন, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহারের অনুমতি, দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় তথ্য প্রযুক্তি জোন প্রতিষ্ঠা, বিপিও পরিষেবার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হিসাবে বাংলাদেশকে পুনরায় তুলে ধরা বা রি-ব্র্যান্ডিং ও নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে নীতিমালা/ আইন প্রণয়ন।
ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকাকালীন সময়কার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ এবং এ ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ণয়ে বুধবার (৩১ জুলাই) অনুষ্ঠিত “সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডানের প্রভাব” শীর্ষক আলোচনা সভায় এই প্রস্তাবনাগুলো তুলে ধরেন বাক্কো নির্বাহী পরিচালক লে: কর্নেল (অব:) মো. মাহতাবুল হক।
সভায় বাক্কো কার্যনির্বাহী কমিটি ও সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং এ শিল্পের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাক্কো সহ-সভাপতি তানভীর ইব্রাহিমের সঞ্চালনায় সভায় বাক্কো কার্যনির্বাহী কমিটির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা আহমাদুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানজিরুল বাশার, অর্থ সম্পাদক মো. আমিনুল হক, পরিচালক মো. ফজলুল হক, জায়েদ উদ্দীন আহমেদ, আবদুল কাদের উপস্থিত ছিলেন ।







